Saturday, March 29, 2014

পুরাই উল্টা

বাস কন্টাকটরঃ এই
যে ভাই ভারা টা দিন ।
যাত্রীঃ এই নিন।
বাস কন্টাকটরঃ ৫
টাকা কেন?? ১০ টাকা দিন ।
যাত্রীঃ আমি ছাত্র জানিস না
আমার ভারা হাফ।
বাস কন্টাকটরঃ (পাশের
জনকে) আপনার ভাড় দিন ।
যাত্রীঃ
এই বেটা ছাত্রের ভাড়া হাফ,
আমি ওর মাস্টার আমার ভারা মাফ..
আরেক জন
চেচিয়ে বলছে ঐ
কন্টাকটর আমাকে কিছু
টাকা দে আমি মাস্টারের বাপ।
কন্টাকটর বেহুশ। 

প্রেমিকা+ ভ

প্রেমিকা: আজকে আমাকে কেমন লাগছে?

প্রেমিক: থ্রি পিচ দেখে মনে হচ্ছে তোমার বয়স ১৬ ।

প্রেমিকা: Thank you.

প্রেমিক: লিপস্টিক দেখে মনে হচ্ছে তোমার বয়স ১৪।

প্রেমিকা: ধন্যবাদ।

প্রেমিক: টিপ দেখে মনে হচ্ছে তোমার বয়স ১০।

প্রেমিকা: তোমাকে অনেক ধন্যবাদ।

প্রেমিক: না মানে, সব মিলিয়ে মনে হচ্ছে তোমার
বয়স ৪০ !!!  

ছেলেরা অলটাইম RockZzzzzz
মেয়েরা অলটাইম ShockZzzzzz

বেয়াদ্দব মাইয়া

বল্টু রাস্তায় দাঁড়িয়ে হিসি করছে..!!

একটি মেয়ে তার সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় নাক ধরে হেঁটে চলে গেল। 
এটা দেখে বল্টু তারাতারি প্যান্টের চেইন লাগাতে লাগাতে বলল...
.
.
.
.
.
.
.
.
.
"বেয়াদ্দব মাইয়া! চোখ না ঢাইকা নাক ঢাকে, কত বড় ফাজিল!!" 

১৮+ ডাক্তার

এক লোক তার ডাক্তার বন্ধুকে ফোন করে বলছে...
লোকঃ ডাক্তার, আমার ছেলের মনে হয় এইডস
হয়েছে। বাড়ির কাজের মেয়ের সাথে সে এই
আকামটি করেছে।


ডাক্তারঃ ঠিক আছে, ও
তো একটা বাচ্চা। ওর
সাথে খারাপ আচরণ কোরো না।
ওকে চেম্বারে নিয়ে এসো।
সব ঠিক হয়ে যাবে।


লোকঃ কিন্তু ডাক্তার। আমিও তো ওই কাজের
মেয়ের সাথে উল্টাপাল্টা কাম করেছি। আমারও
মনে হয় এইডস হয়েছে।


ডাক্তারঃ তাহলে তুমিও চলে এসো। দু’জনের
চিকিৎসা এক সাথে করে দেই।


লোকঃ ডাক্তার, তাহলে তো আমার স্ত্রীরও
মনে হয় এইডস হয়েছে।


ডাক্তারঃ হারামজাদা।।
আগে বলবি না। তার মানে আমারও
তো এইডস হয়েছে। 

ইন্টারভিউ

ইন্টারভিউ বোর্ডে বল্টুকে প্রশ্ন করলেন এক 
প্রশ্নকর্তা, - "কল্পনা করো তো, তুমি একটা ২০ তলা 
বাড়ির ১৫ তলায় আছ। এমন সময় ভীষণ আগুন লেগে 
গেল। সবাই ছোটাছুটি শুরু করল। তুমি কী করবে?"
.
.।।
.
.।।
.
.।।
.
.।।
.
.।।
.
.।।
.
বল্টুঃ আমি কল্পনা করা বন্ধ করব! 

রচনা রচনা

এক গরীবের মেয়ে পরীক্ষার
হলে গিয়ে দেখলো গরীবের উপর
রচনা লিখতে হবে...
সে রচনা লিখতে গিয়ে কান্না
করে দিলো কারন গরিবের
কষ্ট সে ভালো করেই জানে তাই
১০০ টা লুজ(এক্সটা পেপার)
নিয়েও রচনা শেষ করতে
পারলো না...
দৃশ্যঃ২
বিরাট ধনীর
আদুরে কন্যা পরীক্ষার
হলে গিয়ে
দেখল গরীবদের ওপর
রচনা লিখতে হবে...
সে লিখতে শুরু করল :
""এক দেশে একটি খুবই গরীব
পরিবার ছিল।
বাবা গরীব, মা গরীব,
বাচ্চারাও গরীব।
বাড়িতে ৪জন
কাজের লোক ছিল- তারাও
গরীব। তাদের BMW গাড়িটাও
ভাঙ্গাচোরা ছিল।
বাচ্চাদের
ছিল পুরোনো আইফোন
মোবাইল।
বাড়িতে ছিল মাত্র
৪টা সেকেন্ড হ্যান্ড এসি।
পুরো পরিবারটা খুবই
কষ্টে থাকত।
তারা ছিলো সত্যিকার
অর্থেই
গরিব।""

গার্লফ্রেন্ড ও বয়ফ্রেন্ড

>>>>> অসাম-শালা জোকস <<<<<

গার্লফ্রেন্ড ডেটিংয়ে তার রোমান্টিক বয়ফ্রেন্ডকে বলছে -

গার্লফ্রেন্ডঃ জান, আমি আর থাকতে পারছি না। তুমি 
আমাকে তোমার স্ত্রী ভেবে যা খুশি চাওকরতে পারো।

বয়ফ্রেন্ডঃ সত্যি?!! 

এরপর বয়ফ্রেন্ড তার শার্ট-প্যান্ট খুলল,

তারপর বললঃ তাহলে...
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
জলদি আমার এই শার্ট-প্যান্ট গুলো ধুয়ে দাও,
অনেকদিন ধোয়া হচ্ছে না...! 

ট্রাফিক ও ড্রাইভার

এক জন বাস ড্রাইভার রাস্তায় নতুন একটা নোটিশ 
দেখে তা পড়ার জন্য বাস থামাল,
সাথে সাথে ট্রাফিক এসে জিজ্ঞেস করল -
- অই বেটা বাস থামালি কেন?
দেখস না বাস থামান নিষেধ।

-নতুন লাগাইসেন, দেহনের জন্যই তো থামাইলাম।

-বেয়াদপ, মুখে মুখেতর্ক করস? দে ৫০০ টেকা দে!!!

২য় দিন বাস ড্রাইভার আজ বাস না থামিয়ে চলে যাচ্ছিল,
তবু ট্রাফিক থামাল।
- সার আইজ ত থামাই নাই আটকাইলেন ক্যান?
- থামাস নাই ঠিকই, তয় থামানের চিন্তা নিশ্চয়ই করছস।
- এইহানে যাত্রী একটু বেশি পাওয়া যায়, তাই
একবার চিন্তা করসিলাম।
- চিন্তা করলি ক্যান, দে ৫০০ টেকা দে!!!



৩য় দিন, বাস ড্রাইভার আজও বাস না থামিয়ে চলে যাচ্ছিল,
ট্রাফিক থামাল।
- সার আইজ ত থামাই নাই থামানের চিন্তাও
করি নাই, আইজ আটকাইলেন ক্যান?


।।


- শালায় কয় কি! চিন্তা ভাবনা ছারাই নাকি গাড়ি চালায়,
এই জন্যেই ত দুর্ঘটনা ঘটে, দে ৫০০ টেকা দে !!  

স্ট্রোকের লক্ষণ

...একটা অনুষ্ঠানে গিয়ে একজন
ভদ্রমহিলা হঠাৎ হোঁচট
খেয়ে পড়ে গেলেন।
উঠে দাঁড়িয়ে তিনি বললেন, সবকিছু ঠিক
আছে, মেঝের টাইলসে
তার নতুন জুতোর হীল বেঁধে যাওয়ায়
তিনি পড়ে গিয়েছিলেন।
কেউ একজন এম্বুলেন্স ডাকার কথা বললেও
তিনি তাতে রাজি হলেন না।
সবকিছু ঠিকঠাক করে, পরিস্কার
করে তিনি নতুন
করে প্লেটে খাবার নিলেন। যদিও
মনে হচ্ছিলো
যেন তিনি একটু কেঁপে কেঁপে উঠছেন।
অনুষ্ঠানের সম্পূর্ণ সময়
জুড়েই তিনি উপস্থিত থাকলেন।
পরদিন দুপুরে ভদ্রমহিলার স্বামী ফোন
করে জানালেন,
তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
সন্ধ্যা
ছয়টার সময় তিনি মারা গেলেন।
মূল যে ঘটনা ঘটেছিল, তা হলো-
তিনি অনুষ্ঠান
চলাকালীন সময় স্ট্রোক করেছিলেন।
সেখানে যদি কেউ
জানতেন, কিভাবে স্ট্রোক সনাক্ত
করা সম্ভব,
তাহলে হয়তো ভদ্রমহিলা আজও
বেঁচে থাকতেন।
সবাই যে মৃত্যুবরণ করে, তা নয়। অনেকের ঠাঁই
হয় বিছানায়, সাহায্যহীন, ভারসাহীন মূমুর্ষূ
অবস্থায়।
মাত্র তিনটা মিনিট সময়
নিয়ে এটা পড়ে ফেলুন।
বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, যদি একজন স্ট্রোকের
শিকার
রোগীকে স্ট্রোক হবার তিন ঘন্টার
মধ্যে হাসপাতালে নেয়া যায়,
তবে তাকে সম্পূর্ণভাবে সুস্থ অবস্থায় ফেরত
পাওয়া সম্ভব। শুধু আমাদের
জানতে হবে কিভাবে স্ট্রোক
চেনা যায়,
এবং কিভাবে রোগীকে উল্লেখ্য সময়ের
মধ্যে মেডিকেল কেয়ারে নেয়া যায়।
স্ট্রোককে চিনুন...
সহজ তিনটি ধাপঃ- S T ও R... পড়ুন এবং জানুন!
মাঝে মাঝে স্ট্রোকের উপসর্গ সনাক্ত
করা অনেক কঠিন
হয়ে পড়ে। আমাদের অজ্ঞতার কারণেই
নেমে আসে যাবতীয় দুর্যোগ। স্ট্রোকের
শিকার রোগীর যখন
ভয়ানক রকম ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে,
পাশে দাঁড়ানো প্রিয়জনটিই
হয়তো বুঝতে পারছে না,
কি অপেক্ষা করছে তাদের কাছের
মানুষের জীবনে।
সহজ উপায়ে স্ট্রোক সনাক্ত করার উপায়,
সহজ তিনটি প্রশ্ন জিজ্ঞেস করুনঃ
S – Smile. রোগীকে হাসতে বলুন।
T – Talk. রোগীকে আপনার
সাথে সাথে একটি বাক্য
বলতে বলুন। উদাহরণঃ আজকের দিনটা অনেক
সুন্দর।
R – Raise hands. রোগীকে একসাথে দুইহাত
উপরে তুলতে বলুন।
এর কোনো একটিতে যদি রোগীর
সমস্যা বা কষ্ট হয়,
তৎক্ষণাৎ
দেরি না করে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান।
এবং চিকিৎসককে সমস্যাটি খুলে বলুন।
(রোগী বলতে স্ট্রোকের শিকার সন্দেহ
করা ব্যক্তি বোঝানো হয়েছে)
সনাক্তকরণের আরেকটি উপায় হচ্ছে,
রোগীকে বলুন তার
জিহবা বের করতে। যদি তা ভাঁজ
হয়ে থাকে,
অথবা যদি তা বেঁকে যেকোনো একদিকে চলে যায়,
সেটাও
স্ট্রোকের লক্ষণ। তৎক্ষণাৎ
তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান।
যদি আমরা সবাই-ই এই সহজ
ব্যাপারগুলো জেনে রাখি,
তবে আমরা একজনের হলেও জীবন
বাঁচাতে পারবো।
সুতরাং, আপনি শিখলেন- আপনার বন্ধু ও
প্রিয়জনদেরও
শেখান..!! (Copied)
সবাই পোষ্ট টি শেয়ার করুন

স্টুডেন্ট ব্রিলিঅ্যান্ট

মাথা নষ্ট ব্রিলিঅ্যান্ট স্টুডেন্ট --- 

শিক্ষক : অত করে তোকে ইংরেজি শেখালাম, তুই
কিনা ইংরেজিতে ফেল করলি?

ছাত্র : স্যার, ইংরেজিতে পাস করার জন্য কী 
আমরা ৫২-এর ভাষা আন্দোলন করেছিলাম?

শিক্ষক : তাই ইংরেজিতে তো করলি, অঙ্কে ফেল করলি কেন?
হতভাগা, দশ আর দশে যোগ করলে কী হয়?
আর শূন্যটি বাদ দিলি কেন?

ছাত্র : স্যার, আপনিই তো বলেছেন, শূন্যের কোনো দাম নেই।
স্যার, যে জিনিসের দাম নেই, সে জিনিস লিখে লাভ কী?

শিক্ষক : ইতিহাসে তো ফেল করলি।
একটি প্রশ্নেরও উত্তর দিসনি, কেন বল?

ছাত্র : কী করে দেব স্যার, সব ৫০০ বছর আগের
ঘটনা নিয়ে প্রশ্ন? তখন কী আমার জন্ম হয়েছিল?
-
-
-
স্যার অজ্ঞান ! 

১০০% চাপা

মালিঙ্গা : নেদারল্যান্ড কোন দল হল নাকি । মাত্র ৩৯ রানে অল আউট । হাহাহাহা
..
..
..
..
..
..
..
..
..
..
..
..
..
..
..
বল্টু : শালা পারলে ফুটবলে যা । তোদের ৩৯ গোল দিয়ে দিবে । হিহিহিহি

লিফট O জলিল

জলিল মিয়ার বয়স ৫০,
তার স্ত্রীর
৪০ আর তার
ছেলে বল্টুর বয়স ১৮
বছর।
তারা সবাই
গ্রামে থাকে,
জীবনে কোনদিন
শহরে যায়নি। একদিন
তারা শহরে ঘুরতে এল।
ঘুরতে-
ঘুরতে তারা এক
শপিংমলে গিয়ে ঢুকল।
শপিংমলে হাঁটতে-
হাঁটতে তারা ক্যাপসুল
লিফটের
সামনে এসে থামল।
তাদের
তিনজনের মনেই
এক
প্রশ্ন—
এটা কি জিনিস?
এমন সময় এক
বৃদ্ধা এসে লিফটে ঢুকল,
লিফট
বৃদ্ধাকে নিয়ে উপরে উঠে গেল।
এটা দেখে তো মা-
বাবা-ছেলে তিনজনেই
অবাক!
কিছুক্ষণ পর এক
তরুণী লিফটে চড়ে নেমে এল,
তারপর লিফট
থেকে বেরিয়ে চলে গেল।
এতক্ষণে মুখ খুলল জলিল
মিয়া
.
.
.
.
.
ও বল্টুর মা,
এইডা তো দেহি জোয়ান
বানানির
মেশিন, তুমি শিগগির
ঢুকো !!!

A+

বাবাঃ তুই আবারো পরীক্ষায় ফেল করলি !!!

বেবি বাপ্পিঃ আমি তো চেষ্টা করসি ।

বাবাঃ পাশের বাসার পিঙ্কির দিকে তাকা ।
A+ পাইসে ।
-
-
-
-
-
-
-
-
-
-
বেবি বাপ্পিঃ ওর দিকে তাকাইতে যাইয়াই তো আমার
এই অবস্থা! 

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের থিম সং

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের থিম সং টা যদি ফুয়াদ
না বানিয়ে অন্য শিল্পীরা বানাতেন বা গাইতেন......

মমতাজ :
অন্যদেশ যখন কাপ লইয়া আমার বাড়ির সামনে দিয়া রঙ্গকইরা হাইটা যায়, বুকটা ফাইটা যায় !!!

সুবীর নন্দী :
একটা ছিলো ওয়ার্ল্ড কাপ, সোনা বরণ বেশ ;
বাংলাদেশেতে ছিলো সেই কাপটির দেশ !!!

আইয়ুব বাচ্চু :
তুমি কেন বোঝ না, বিশ্বকাপ ছাড়া আমি অসহায় ; আমার সবটুকু ভালোবাসা একাপকে ঘিরে !!!

তপু :
এক হাতে বিশ্বকাপ তোমার অন্য হাত খালি !!!

টি ডাব্লিউ সৈনিক :
তুমি আমার কাপ, তবু তোমার নিয়ে স্বপ্ন দেখি না !

বালাম :
এই বড় হাতে, এক আকাশ নীল ; আজ এই
কাপের জন্য চলছে ভালোবাসার মিছিল !!!

মিলন মাহমুদ :
চল সবাই, জীবনের আহবানে বিশ্বকাপদেখতে যাই !!!

হ্রদয় খান :
চাই না কাপ তুমি অন্য কারো হও, পাবে না কেউ
তোমাকে তুমি কারো নও !!!

18 +

বেবি বাপ্পি: "তোর ভাবী ঘরে নাই ।।
থাকলে অবশ্যই তোরে চা খাওয়াইতাম।"
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
বল্টু: "আরে ভাই কিপটামির একটা সীমা থাকে।
দুধ তো তুই বাজার থেকেও কিনে আনতে পারিস!

পিকনিকে দুই বন্ধু

দুই বন্ধু পিকনিকে গেছে। রাতে একটি তাঁবু টানিয়ে তার 
ভেতর ঘুমিয়ে পড়ল।

মাঝরাতে এক বন্ধু আরেক বন্ধুকে ডেকে তুলল।

১ম বন্ধু : দোস্ত, আকাশ দেখতাছস?

২য় বন্ধু : হ দোস্ত। দেখতাছি তো।

১ম বন্ধু : কি বুঝলি?

২য় বন্ধু : আকাশে কোন মেঘ নাই। অনেক তারা দেখা যাচ্ছে।
তার মানে, আজ বৃষ্টি হবে না।.
.
.
.
১ম বন্ধু : ওরে আবহাওয়াবিদের বাচ্চা!!
আমাগো তাবুডা চুরি হইয়া গেছে, এইজন্যই আকাশ
দেহা যাইতাছে !!

Creative

পুরোটা দেখুন । গ্যারান্টি দিচ্ছি , ভাল
লাগবে ।
------/\ ____\
-----/:/------/
----/:/------/
---/:/------/
..-/:/------/
-/:/------/
/:/------/
\:\------\
-\:\------\
--\:\ ____ \
---\/____ /
------_____
-----/\------\
----/:: \------\
---/:/ \:\------\
--/:/ --\:\------\
-/:/ ----\:\------\
/:/------\:\------\
\:\------/:/ ------/
-\:\----/:/ ------/
--\:\--/:/ ------/
---\:\/:/ ------/
----\::/------ /
-----\/_____ /
-----_____
----|:|------|-- _____
----|:|------|-/ \____ \
----|:|------|/:/------/
----|:|------/ :/------/
----|:|-----/:/------/
----|:|----/:/ ------/
----|:|---/:/ ------/
----|:|--/:/ ------/
----|:|-/:/ ------/
-----\:/:/ ------/
------\ / ____ /
-------_____
------/\ -----\
-----/ ::\------\
----/:/\ \------\
---/:/--\ \------\
--/::\---\ \------\
-/:/\:\---\ \ ____\
-\:\-\:\__ \/ ____/
--\:\-\/____/
---\:\------\
----\:\ ____ \
-----\/____ /...

এইডা কেডা


মজার ছবি




ছবি হাসায়





100 কমেন্ট আর 300 লাইক দেইখ্যা এক সুন্দরী আপার ছবিটা খুব মনযোগ নিয়া দেখলাম।
দেখি উপরে ফকফকা চাদ আর নিচে আপায়
ভেটকায়। আমি গিয়া কমেন্ট করলাম
-আপা আপনার ছবি টা অত্যন্ত বিউটিফুল আসছে।
-তাই ধন্যবাদ।
-আপনাকে কোন ভাবেই আমি চাদের
সাথে তুলনা করতে পারছি না!
-আপনাকে কে তুলনা করতে বলছে? আর কেন
বা আপনি করতে চাচ্ছেন না?
-আমারে তুলনা করতে উৎসাহ দিসে আপনার
নন্দদুলাল রা যারা আপনাকে চাদ
সুন্দরী কইতে কইতে চাদ
নিচে নামাইয়া ফেলছে। আর
আমি তুলনা করতে চাইতাছি না, কারন চাদ হইল
গোল, আর আপনে হইলেন চ্যাপ্টা।
-কি যা তা বলছেন? আর আমি হাল্কা মোটা হইলেও, যথেষ্ট পরিমাণ ফিট।
-জি আপা। আমিও আপনার সাথে একমত।
আপনি মুলত কোন গুদামের চাউল
খাইয়া নিজেকে ভুটকি সুন্দরী মনে করছেন?
  আর কথা না বারাইয়া আম্রে ব্লক
মারছে!!! আমি আসলে কইতে চাইছি আপায়
চাদের থেইকা ও বেশি সুন্দর।

ছবি কথা কয়




হি হি ছবি






Wednesday, March 26, 2014

আপা ও চাঁদ

100 কমেন্ট আর 300 লাইক দেইখ্যা এক সুন্দরী আপার ছবিটা খুব মনযোগ নিয়া দেখলাম।
দেখি উপরে ফকফকা চাদ আর নিচে আপায়
ভেটকায়। আমি গিয়া কমেন্ট করলাম
-আপা আপনার ছবি টা অত্যন্ত বিউটিফুল আসছে।
-তাই ধন্যবাদ।
-আপনাকে কোন ভাবেই আমি চাদের
সাথে তুলনা করতে পারছি না!
-আপনাকে কে তুলনা করতে বলছে? আর কেন
বা আপনি করতে চাচ্ছেন না?
-আমারে তুলনা করতে উৎসাহ দিসে আপনার
নন্দদুলাল রা যারা আপনাকে চাদ
সুন্দরী কইতে কইতে চাদ
নিচে নামাইয়া ফেলছে। আর
আমি তুলনা করতে চাইতাছি না, কারন চাদ হইল
গোল, আর আপনে হইলেন চ্যাপ্টা।
-কি যা তা বলছেন? আর আমি হাল্কা মোটা হইলেও, যথেষ্ট পরিমাণ ফিট।
-জি আপা। আমিও আপনার সাথে একমত।
আপনি মুলত কোন গুদামের চাউল
খাইয়া নিজেকে ভুটকি সুন্দরী মনে করছেন?
আপায়  আর কথা না বারাইয়া আম্রে ব্লক
মারছে!!! আমি আসলে কইতে চাইছি আপায়
চাদের থেইকা ও বেশি সুন্দর।

M.......P......

অফিসারঃ আপনার নাম কি?
প্রার্থীঃ M.P স্যার।
অফিসারঃ এম.পি তারমানে কি?
প্রার্থীঃ মহন পাল স্যার।
অফিসারঃ আপনার পিতার নামকি?
প্রার্থীঃ এম.পি স্যার।
অফিসারঃ তার মানে কি?
প্রার্থীঃ মদন পাল স্যার।
অফিসারঃ আপনার যোগ্যতা?
প্রার্থীঃ এম.পি স্যার। অফিসারঃ(রাগ করে)
এইটা কি?
প্রার্থীঃ মেট্রিক পাস স্যার।
অফিসারঃ আপনে কেন কাজ
চান?
প্রার্থীঃ এম.পি স্যার।
অফিসারঃ (অঅহহ)তার মানে কি?
প্রার্থীঃ মানি প্রব্লাম
স্যার।
অফিসারঃ আপনার
PERSONALITY বর্ণনা করেন।
প্রার্থীঃ এম.পি স্যার। অফিসারঃ খুলে বলেন।
প্রার্থীঃ MAGNANIMOUS
PERSONALITY স্যার।
অফিসারঃ আপনে আসতে পারেন।
প্রার্থীঃ এম.পি স্যার ?
অফিসারঃ এইটা কি আবার ? প্রার্থীঃ MY
PERFORMANCE
…?
অফিসারঃ M.P!!!
প্রার্থীঃ তার
মানে কি স্যার?
অফিসারঃ MENTALLY PUNCTURED…

বাবা O কম্পিউটার

ছেলেঃ- বাবা একটা কম্পিউটার কিনছি।
বাবাঃ- এইটা কি?
ছেলেঃ- মনিটর।
বাবাঃ- ওইটা কি?
ছেলে:- সিপিইউ।
বাবাঃ- আর এইটা?
ছেলেঃ- মাউস।
বাবাঃ- এইটা?
ছেলেঃ- সাউন্ড বক্স।
.
.
.
.
.
.
.
বাবাঃ- হারামজাদা তাহলে কম্পিউটার কই?

মেয়ে O আমি

দোকানে লোড দিতে গেলাম। গিয়ে দেখি একটা মেয়েও
আসছে লোড নেওয়ার জন্য। আমি মেয়েটার পাশে গিয়ে
দাড়ালাম।
দোকানদারঃ "কি মামা লোড লাগবে?"
আমিঃ "হুমম লাগবে।"
দোকানদারঃ "নাম্বার বলো"
আমিঃ "জিরো ওয়ান"
এই মুহুর্তে মেয়েটা বলে উঠল, "মামা আমি আগে এসেছি,
তাই আমার নাম্বারটা আগে নিন।"
দোকানদানঃ "আচ্ছা বলুন"
মেয়েটাঃ "জিরো ওয়ান"
এইটুকু বলতেই মেয়েটা আমার দিকে তাকালো।
দেখে কি বুঝলো জানি না তবে বলল, "মামা লোড
লাগবে না, কার্ড দিন।"
দোকানদার এবার বিরক্ত হয়ে মেয়েটাকে কার্ড বের করে
দিল। কার্ড নিয়ে মেয়েটা দাড়িয়েই রইলো আর কিসব হাবিজাবি
নেড়েচেড়ে দেখতে লাগলো।
দোকানদারঃ "কি মামা নাম্বার বল।"
আমিঃ "জিরো ওয়ান"
এইটুকু বলতেই আমি মেয়েটার দিকে তাকালাম।
মেয়েটা দেখি আমার দিকে তাকিয়ে আছে।
আমি মেয়েটার তাকানো দেখে বললাম, "মামা লোড লাগবে না,
-
-
-
-
-
কার্ড দিন।"

প্রতিশোধ নিলাম.....

দাত : পোকা : বিস্কুট

এক লোকের
দাতে পোকা হয়েছে..!!!!
তো সে ডাক্তারের
কাছে যাওয়ার পর
ডাক্তার
বললঃ "আজকে থেকে চার
দিন সকাল
সন্ধ্যা দুধ-
বিস্কুট খাবেন
এবং ৫ম দিন শুধু দুধ
খাবেন,
পোকা অবশ্যই বের
হয়ে যাবে !
১০০% গ্যারান্টি !!!"
তারপর
লোকটি চারটি দিন
সকাল সন্ধ্যা
দুধ-বিস্কুট খেল
এবং ৫ম দিন শুধু দুধ
খেল..........
আর ঠিকই দাত
থেকে বের
হয়ে পোকটি বললঃ
.
.
.
.
.
.
.
.
কিরে আইজকা কি বিস্কুট
নাই?
হা হা হা হা...

৩৫ টাকা

পুরাই অস্থির পড়ুন মজা পাবেন!!

>>অনেক দিন আগে কোন এক
গ্রামেবাইরে থেকে এক
লোক এসে ঘোষণা দিল যে >>
সে ১০ টাকা করে একেকটা বানর
কিনবে।ওই গ্রাম আর
তার আশেপাশের বনে বানর ছিলপ্রচুর।
তাই গ্রামবাসী বনে গিয়ে বানর
ধরে এনেবেচা শুরু করল।
ওই লোক ১০ টাকায় হাজার হাজার
বানর কিনল।
আর যখন বনের বানরের
সংখ্যা কমে যেতে লাগলো। গ্রামবাসী
বানর ধরা বন্ধ করে দিল।
:
এরপর
:
ওই লোক আবার ঘোষণা দিল>>সে ২০
টাকা করে বানর কিনবে।লাভজনক
দেখে গ্রামবাসী আবার বন থেকে বানর
ধরা শুরুকরলো। এনে আবার বেচতে
লাগলো ওই লোকের
কাছে। এরপর যখন আবার বানর দুর্লভ
হয়ে গেলো তারা বন্ধ করে দিল।
:
এরপর
:
লোকটা ঘোষণা দিল
>>সে ২৫টাকা করে দিবে একেকটা
বানরের জন্য।
কিন্তু এখন বানর এত দুর্লভ
হয়ে গেছে যেদেখা পাওয়াই
কষ্ট, ধরা তো দূরের কথা।
:
এরপর
: আবার ওই
লোক ঘোষণা দিল>>সে ৫০ টাকা
করে বানর কিনবে! এরপর সে তার
সহকারীকে বানর কেনার দায়িত্ব
দিয়ে শহরে চলে গেলো একটা কাজে।
সহকারী তখন গ্রামবাসীদের তাদের
কেনা হাজার
হাজার বানরের বিরাট
খাঁচা দেখিয়ে বলল>> “আমি এই
বানরগুলো তোমাদের ৩৫
টাকা করে বেচতে পারি।
যখন উনি শহর থেকে ফিরবে তখন তার
কাছে ৫০ টাকা করে বেচতে পারবে।
গ্রামবাসী তাদের সমস্ত টাকা পয়সা সঞ্চয়
দিয়েসব
বানর ৩৫ টাকা করে কিনে নিলো
সহকারীর কাছ থেকে।
:
:
এরপর
:
:
:
:>ওই লোক কিংবা তার সহকারীর
আর কোনোদিন
দেখা পাওয়া গেলো না।
চারদিকে তখনশুধু বানর
আর বানর।

moral >> শেয়ার মার্কেটে আপনাদের
স্বাগতম

শিয়াল : নারী

"সব শিয়ালেই মুরগির স্বাধীনতা চায়, কারন
মুরগী স্বাধীন হলেই শিয়াল ভাল খাবার পায়....
.
.
.
.
.
.
.
তেমনিভাবে সব লুইচ্চারাই 'নারীর স্বাধীনতা' চায়,
কারন নারী স্বাধীন হলেই লুইচ্চারা শিকার খুজে পায়।।



 নারীকে পরাধীন রাখা যাবেনা আবার লুচ্চাদের শিকার ও বানানো যাবেনা

সোনার ডিম ও তার স্ত্রী

এক লোক মদ খেয়ে মাতাল হয়ে গভীর
রাতে বাড়িতে ফিরে ঘুমাতে গেলো।
ঘুমাতে ঘুমাতে দেখল
যে সে মারা গিয়েছে।
সে পরজগতে গিয়ে ঈশ্বরকে অনুরোধ করল
দুনিয়ায় আরেকবার ফেরত পাঠানোর জন্য।
ঈশ্বর তাকে আরেকটা সুযোগ দিলো আর
মুরগী বানায়
দুনিয়ায় ফিরে পাঠাল।
মুরগী হয়ে সে একটা ডিম দিল।
ডিম দেখে সে হতভম্ব হয়ে গেলো।
ডিমটা ছিল সোনার খুশিতে সে জোর
দিয়ে আরেকটা ডিম দিল।
সেটাও সোনার ডিম সে আরও খুশিতে জোশের
সাথে তিতীয়বারের
মত ডিম পাড়ার জন্য জোর দেয়া শুরু
করতেই কেউ একজন তাকে জুতা মারল।
সে চোখ খুলে দেখল তার স্ত্রী
চিৎকার করে যাচ্ছে-
. . .
.
.
“উঠ শালা!
বিছানায় বাথরুম করেই যাচ্ছে তো করেই
যাচ্ছে!!

মেয়ে : মশা

এক মেয়ে স্ট্যাটাস দিছে ---
"আমি আজ রাতে বাড়ির ছাদে ঘুমাবো।"
,
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
৭০ টা মশা ঐ স্ট্যাটাসে লাইক দিছে!

১৮+ নিজ দায়িত্বে পড়বেন

বলুন তো আমি কে?
আমি এমন একজন, যাকে
দুই লিঙ্গের মানুষই উপভোগ
করে থাকে।
আমি ধরুন গিয়ে, ছয় থেকে আট
ইঞ্চির মতো লম্বা,
আমার একদিকে কিছু রোঁয়া আছে,
অন্যদিকে আছে একটা ফুটো।
সাধারণত আমি শুয়েই থাকি সারাদিন,
কিন্তু যে কোন সময় আমি কাজের
জন্যে দাঁড়িয়ে যেতে রাজি।
আর কী কাজ রে ভাই! একটা
ভেজাভেজা জায়গায় আমাকে
বারবার যেতে আর
আসতে হয়। কাজ শেষ
হলে সাদা, আঠালো কিছু পদার্থ
পেছনে ফেলে রেখে আমি আবার
আগের জায়গায়
ফিরে যাই। অবশ্য যাওয়ার আগে
আমাকে পরিষ্কার
করা হয়।
বলতে পারলেন না তো?
আরে, আমি তো আপনার …








… টুথব্রাশ!
কী ভাবছিলেন আপনি আমাকে,??
খাচ্চর কোথাকার?

একে একে আয়! লাইন ধরে আয়!

এক সিনেমা হলের টিকেট চেকারের একটা মেয়ে টিয়া পাখি ছিল।

টিয়াটা কথা বলতে পারতো।

মুলত চেকারকে সাহায্য করার জন্য টিয়াটি কথা বলতো।
হলের প্রতিটি শো এর আগে দর্শকরা টিকেট কেটে যখন হলে ঢুকতো তখন টিয়াটি বলত–” একে একে আয়! লাইন ধরে আয়”!

তো একদিন হঠাৎ করে টিয়াটি হারিয়ে গেল।
বেচারা টিকিট চেকার দুই তিন দিন অনেক খুজেও টিয়ার সন্ধান
না পেয়ে আশা ছেড়ে দিল।

একদিন সকাল বেলা হাসপাতাল থেকে টিয়ার খবর এলো। চেকার হন্তদন্ত হয়ে হাসপাতালে গেলেন এবং টিয়াকে জিজ্ঞাস করলেন, "এতদিন তুই কোথায় ছিলি??"

টিয়া বলল, "আর বলিস না। তোর এখান থেকে গিয়েছিলাম জঙ্গলে।
অনেক ছেলে টিয়া দেখে অভ্যাসবসত ওখানেও বলে ফেললাম -
--
--
--
--
--
--
--
'একে একে আয়! লাইন ধরে আয়!'
তারপর আমি এখানে!!"

Tuesday, March 25, 2014

মেয়ে : ব্রান্ড : ছেলে

মেয়ে : আমি সানসিল্ক এর শ্যাম্পু ইউজ করি |
তুমি কোন শ্যাম্পু ইউজ করো ?
ছেলে : আল হেলালের |
মেয়ে : আমি লাক্স সাবান ইউজ করি |
তুমি কোন সাবান ইউজ করো ?
ছেলে : আল হেলালের |
মেয়ে : আমি ওলে ক্রিম মাখি |
তুমি কোনটা মাখো ?
ছেলে : আল হেলালেরটা |
মেয়ে : আচ্ছা আল হেলাল কি নতুন কোনও ব্রান্ড ?
.
.
.
.
.
ছেলে : আরে না , আল হেলাল আমার
রুমমেটের নাম !

মহিলা : তারমেয়ে

রাতে এক মহিলা তার হাসবেন্ডকে বলছে ---

মহিলাঃ "এই, আমি নিশ্চিত, আমাদের মেয়ের
বয়ফ্রেন্ড জুটেছে !!"

হাসবেন্ডঃ "এটা তুমি কিভাবে বুঝলে ??"

মহিলাঃ "কিছুদিন ধরে লক্ষ্য করছি, ও যখন বাইরে
যায় তখন ঠোটে কড়া করে লিপস্টিক দিয়ে যায়,
.
.
.
.
.
.
.
.
.
কিন্তু ফেরার সময় ওর ঠোটে একটুও
লিপস্টিকও থাকেনা !!!"

৩ বাটপার বন্ধু

৩ বাটপার বন্ধুর বহুদিন পর দেখা ।
তো এক রেস্টুরেন্টে খেতে গেলো ।
১জন ওয়াশ রুমে গেলো...
বাকী ২ জন আলাপ করছে ।
আলাপ আলোচনার এক পর্যায়ে ---

মফিজঃ তারপর দোস্ত, বাচ্চা কাচ্চা কয়টা ?

আবুলঃ আমার একটাই ছেলে । আমার মতোই বুদ্ধিমান ।
ভার্সিটিতে পড়ে। বিরাট বড়োলোকের একমাত্র মেয়েকে
পটাইছে । মেয়েকে ইম্প্রেস করার জন্য একটা গাড়ি
গিফট করছে । একবার বিয়ে হয়ে গেলে, মেয়ের বাপের
সব প্রোপার্টি আমার ।
.
মফিজঃ আমারও একটাই ছেলে । আমার মতোই বুদ্ধিমান ।
ভার্সিটিতে পড়ে । সেও বিরাট বড়োলোকের একমাত্র
মেয়েকে পটাইছে । মেয়েকে ইম্প্রেস করার জন্য ফ্লাট গিফট
করছে । ভালোয় ভালোয় বিয়েটা হয়ে গেলেই, মেয়ের
বাপের সব প্রোপার্টি আমার ।
.
এর মধ্যে তৃতীয় বন্ধু বেবি বাপ্পি এলো ।
মফিজ জিগাইলোঃ দোস্ত তোমার ছেলে মেয়ে কয়টা ?

বেবি বাপ্পিঃ আমার এক মেয়ে, আমার মতোই ধান্দাবাজ ।
২ পোলারে নাকে দড়ি দিয়া ঘুরাইতেছে । ১জন দিছে ফ্লাট আর
২য় জন দিছে গাড়ি । আগামীতে আরো অনেক কিছু আদায়
করার প্লান আছে !

প্রেম : রিলেশান

... ওরা 'প্রেমে' পড়ে না, ওরা 'রিলেশানে'
জড়ায়।
... ওদের 'প্রেমিকা' থাকে না,
থাকে 'গার্লফ্রেন্ড' !
... ওরা 'সম্পর্ককে' এগিয়ে নেয় না,
বরং 'রিলেশান ক্যারি' করে।
... রিলেশানগুলোকে যখনই ক্যারি করতে হয়,
তখনি ক্লান্তি আসে। সম্পর্ক এগিয়ে যায়
পারস্পরিক বুঝাপড়া, ভালোবাসা আর
সেক্রিফাইসের মাধ্যমে। এতে কোন
ক্লান্তি নেই, চাপ নেই।
রিলেশানে ক্লান্তি আসলে ওরা বলে,
"আমি আর রিলেশান
ক্যারি করতে পারছি না। আমাদের
এভাবে থাকার
চেয়ে আলাদা থাকা ভালো।" অতঃপর,
ওরা রিলেশান ব্রেকাপ করে ।।
... ব্রেকাপের পর মেন্টাল প্রেশার
কমাতে আরেকটি রিলেশানে জড়ায় !!
রিলেশানে জড়ায় চেহারা-চুরুত, টাকা-
পয়সা দেখে। কিন্তু মানুষ প্রেমে পড়ে হুট
করে !! মানুষ রিলেশানে জড়ালে আবার
উঠে দাড়াতে পারে কিন্তু
প্রেমে পড়ে যাওয়া ভয়াবহ বিপদ !!
প্রেমে পড়ে গেলে উঠা যায় না, ক্রমশ
ডুবতে থাকে। যার প্রেমে পড়ে,
অদ্ভুতভাবে তার সব কিছুই ভালো লাগতে শুরু
করে। রিলেশানের ক্ষেত্রে কেমন যেন
উল্টো !! গার্লফ্রেন্ডের সব কিছুতেই খুঁত,
সমস্যা, বোরিং, পেইন !!
... "গার্লফ্রেন্ড" বড় সস্তা হয়,
প্রেমিকারা সস্তা নয়। প্রেম সস্তা নয়,
যতটা সস্তা রিলেশান করা। অদ্ভুতভাবে,
সকালের রিলেশান বিকেলে ভাঙ্গে।।
কিন্তু প্রেম কখনো ভাঙ্গে না, মচকায় না,
হারায় না, হারে না... যদি সম্ভব হয়
কখনো প্রেমিকা হইয়ো, গার্লফ্রেন্ড নয় !!

মাইয়া : চটি : জুতা

এক মাইয়া ম্যাসেজ দিছে_____

হ্যালো, কি করেন?

আমি: কিছু না,তয় এহন চটি পইড়া বাথরুমে যামু।

মাইয়া:ছি ছি ছি,একেতো চটি পড়তেছেন, আবার বাথরুমেও
যাবেন আপনি এতো খারাপ ছেলে।
অসভ্য একটা।

আমি: এতে খারাপের কি আছে।
চটি পইড়া খুব মজা পাই,আপনিও পইড়া
দেখেন আপনিও অনেক মজা পাবেন।

ম্যাসেজ সিন করার পর কোন রিপ্লে নাই।
একটু পর দেখি আপু লজ্জায়
আর রাগে আপুর নামটা কালা হইয়া গেছে।
আমারে ব্লক মারলো ক্যারে?
মাইয়াটা কি ভুত নাকি অদ্ভুত?

এহন চটিজুতা পইড়া যদি আমি বাথরুমে
যাই তাতে আমার অপরাধ টা কি?

এই থেকে বুঝা যায় মাইয়া মানুষ একটু বেশী বুঝে।

ছেলে : বাবা : জুতা

বাবা ছেলেকে নতুন জুতা কিনে দিয়ে বলল, -
"সিড়ি দিয়ে উঠার সময় দুইটা করে উঠবি। এতে
জুতার উপর চাপ কমবে। জুতা বেশি দিন টিকবে!!"

কিন্তু ছেলে বাবার চেয়ে আরো এক ডিগ্রী উপরে।
সে বাবাকে খুশি করার জন্য তিনটা সিড়ি করে উঠছে।

উপরে উঠার পর বাবা মারলো ছেলের গালে জোড়ে এক চড় !!

ছেলের চিৎকারের শব্দে পাশের বাসার মহিলা এসে
বললঃ "এতটুকু বাচ্চাকে কেউ এভাবে মারে? কেন মেরেছেন?"

বাবা বললঃ "ওকে বলেছি দুইটা সিড়ি করে উঠবি তা টিকবে
আর ও উঠলো তিনটা করে।"

মহিলাঃ "ও তো ঠিকই করেছে। দুইটার জায়গায় তিনটা করে
উঠেছে। আপনার তো খুশি হওয়ার কথা।"



বাবাঃ "খুশি হব কিভাবে বলেন, ও ২০০ টাকার জুতার তলা
বাচাতে গিয়ে ৮০০ টাকার প্যান্টের তলা ছিড়ে ফেলেছে!"

ফুল; রফিক; বরকত

ফুল দিতে যাচ্ছিলাম;
পথ
আগলে দাঁড়ালো রফিক,
সালাম,
বরকত,শফিউর---
¤রফিক -- কই যাও?
¤ আমি -- জি, শহীদ
মিনার যাচ্ছি ফুল
দিতে।
¤সালাম -- ফুল
দিয়ে কি হবে?
¤ আমি -- না,
মানে আপনাদের
স্মরণ করা হল।
আপনাদের
আত্মা শান্তি পাবে।
¤বরকত -- হা হা হা,
কুরআন হাদিসের
কোথাও লেখা আছে,
ফুল
দিলে আত্মার
শান্তি হয়?
কখনো কি কবর
জিয়ারত করেছো?
দুই রাকাত নামাজ
পড়ে আমাদের
জন্য দোয়া করেছো??
¤ আমি -- জি…না,
মানে…
¤রফিক -- হুমম,
প্রতি বছর কত
টাকার ফুল
দিয়ে এভাবে শ্রদ্ধা জানাও?
¤আমি -- জি,
কোটি টাকার উপরে।
¤শফিউর --
আচ্ছা আমার
মা যে চিকিৎসার
অভাবে মারা গেছে,
কেউ কি খোঁজ
নিয়েছে?
অথবা, এই
টাকা দিয়ে অনেক
দারিদ্রদের
অভাব মোচন
করতে পারতে?
¤সালাম -- আমার
আত্মীয়
স্বজনরা যে রিকশা চালিয়ে,
দিনমজুরি করে জীবিকা নির্বাহ
করে,
তার কি কোন খবর
রাখে কেউ?
¤ আমি -- ভাই,
আসলে জীবন
তো দিছেন
আপনারা । আপনাদের
আত্মীয়
স্বজন
তো দেয়
নাই। তাদের খোঁজ
কেন নিব?
¤বরকত -- যুদ্ধ
তো করছে মুক্তিযোদ্ধারা।
তাদের
নাতি পুতিরা এত
সুযোগ
সুবিধা পায়
কেন?
¤শফিউর -- বাদ দাও
তো বরকত !
ওদেরকে বেশি উস্কে দিয়ো না।
বেশি উস্কালে হয়ত,
নতুন
প্রজন্মের
মুক্তিযোদ্ধার মত
নতুন প্রজন্মের
ভাষা সৈনিক নামেও
তারা আরেকটা পার্টি বানাবে।
(মনটা খারাপ
হয়ে গেল। বাসায়
ফিরে আসলাম। আর
কোনদিন ফুল
দিতে যাবো না।...

স্বামী Vs স্ত্রী

স্বামী-
স্ত্রী একসাথে বসে টিভিতে খেলা দেখতেছে.
স্ত্রী : এইটা কি আফ্রিদি?
স্বামী : না, এইটা ক্রিস গেইল.
আফ্রিদি বল করতেছে.
স্ত্রী : এই দেখ আরেক টা উইকেট পড়েছে.
স্বামী : এইটা আগের আউট-টার রিপ্লাই.
স্ত্রী : ওকে ফাইন.
মনে হয় আজ বাংলাদেশ জিতবে.
স্বামী : এইটা ওয়েস্ট ইন্ডিজ বনাম
পাকিস্থানের ম্যাচ.
স্ত্রী : ওহ.
কত রান লাগবে জিততে?
স্বামী : ৩৬ বলে ৭২ রান.
স্ত্রী : প্রতি বলে দুই রান!!
তাহলে তো খুব সহজে জিতে যাবে.
স্বামী টিভিটা বন্ধ করে দিল.
স্ত্রী আবার টিভিটা অন করে প্রতিদিনের
সিরিয়াল দেখতে লাগল
.
স্বামী : এই মেয়েটা কে??
স্ত্রী : চুপ থাকো তো. সিরিয়াল দেখার সময়
কোন কথা বলবে না.

Sunday, March 23, 2014

হি হিঃ ছবি


হি হিঃ ছবি


আবুল হেটে বাড়ি যাচ্ছিল ।

আবুল
হেটে বাড়ি যাচ্ছিল ।
.
.
.
হঠাত্ সে তার সামনে কালো,
কাদার
মত কি যেন দেখলো ।
নিশ্চিত হওয়ার জন্য
সে তা আঙুলে নিলো এ
কাছে নিয়ে গন্ধ
শুকলো ।
.
.
আরো নিশ্চিত
হতে সে একটু
মুখে দিয়ে চেখে দেখলো
সাথে সাথে আবুল বলে উঠলো -
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
উহ বাঁচলাম,আর একটুর জন্যেই
তো গোবরে পা দিতাম.

ফান ১৮+

এক চার্চে পাদ্রি নির্বাচন করা হচ্ছে।
মিস্টার জন নির্বাচক।
তিনি ঠিক করলেন, যে সবচেয়ে
পার্থিব ভোগের
উর্ধে তাকেই নেয়া হবে।
৩ জন প্রার্থী আবেদন
করল। এখন ৩ জনেরই বিশেষ অঙ্গে
ঘন্টা লাগানো হল যাতে ওই
জিনিস দাঁড়ালে ঘন্টা বেজে উঠে।
এইবার তিনজনের
সামনে এক সুন্দরীকে এনে প্রথমে বুকের
কাপড় খুলে ফেলা হল।
একজনের ঘন্টা বেজে উঠল
এবং সে বাদ পড়ল।
এইবার সুন্দরীর নিচের কাপড়
খুলে ফেলা হল।
আরেকজনের ঘন্টা বেজে উঠল
এবং সেও বাদ পড়ল, রইল
বাকী এক।নির্বাচক মিস্টার জন বললেন তার
মানে আমরা আমাদের পাদ্রি পেয়ে গেছি,
তুমি সমস্ত
ভোগ-কাম-লালসার উর্ধে… এইসব
বলতে বলতে তাকে জড়িয়ে ধরলেন,
সাথে সাথে তার ঘন্টা বেজে উঠল।

Thursday, March 20, 2014

চলন্ত বাসে ধর্ষন : ভিন্ন মাত্রা

দিল্লীর চলন্ত বাসের ধর্ষন এর
ঘটনা কে গতকাল থেকে একটু
ভিন্ন চোখে দেখছি।


অনেকটা এরকমঃ
-মেয়েটি বাসে উঠেছে এই
জেনে যে চালক
তাকে একটি নির্দিষ্ট
গন্তব্যে পৌছে দেবে এই নিশ্চয়তায়
> ঠিক যেমন আমরা বাংলাদেশ নামক
বাসে ৫ বছর পর পর একটি চালক বসাই এই
ভেবে যে সে প্রতিশ্রুত
গন্তব্যে নিয়ে যাবে...
-বাসের হেল্পার প্রথমে মেয়েটির উপর
ধর্ষনের উদ্দেশ্যে এগিয়ে যায়
>ঠিক যেমন সরকারের আমলারা আম
জনতাকে প্রথম ছোবল মারে...
-বাসের আরেক যাত্রী একজন gym
instructor তার
শক্তি নিয়ে আগিয়ে আসে তরুনির
দিকে
>ঠিক যেমন আমাদের আইন
শৃঙ্খলা বাহিণী আম
জনতা কে শক্তি দিয়ে দমিয়ে রাখে আর
নেতাদের ধর্ষনে সাহায্য করে..
-বাসে বসে থাকা ১৭-১৮ বছরের তরুনও
প্রলুব্ধ হয় ধর্ষন করার
>ঠিক যেমন ছাত্র রাজনিতীও রক্তাক্ত
করে বিশ্বজিত দের...
-আরেক যাত্রী ফল বিক্রেতাও
এগিয়ে আসে ধর্ষনের উদ্দেশ্য নিয়ে
> ঠিক যেমন দলীয়করনের
ছোবলে সম্মোহিত একটি দল,যারা ফাক
দিয়ে নিজের স্বার্থ বুঝে নেয়...
-সবশেষে বাস চালক নিজেই
উঠে আসে ধর্ষন করতে আর তরুনি তখন
ভাবে “এর উপরেই
কি সে আস্থা রেখেছিল
যে কিনা তার কাঙ্খিত
গন্তব্যে তাকে পৌছে দেবে?”
> ঠিক যেমন আমরা জনগন ভাবি “এই
কি সেই সরকার যার এই
প্রতিশ্রুতি গুলো পুরনের কথা ছিল?”
আমরা বোকা বাঙ্গালি ভাঙ্গি শুধু
বাসটিকে, অথচ খেয়ালি করিনা এই
বাস টাই আমাদের দেশ। খালি চালক
গুলা ভুল নির্বাচন করেই চলেছি।

Talking Picture


Teenage Vabna


প্রত্যেক টেনএইজ ছেলেই
হতাশা অনুভব করে, যখন
তার পাশের বন্ধুর
প্রেমিকা থাকে কিন্তু তার কপালে
কোন মেয়ে জুটে না।
-- প্রত্যেক
মেয়েই হতাশা অনুভব
করে, যখন তার বান্ধবীর
কাছে শত শত প্রপোজ আসে
কিন্তু তার কাছে ভুল
করে একটা প্রপোজ
আসে না।
-- প্রত্যেক
টেনএইজ ছেলে-মেয়েই
আয়নার
সামনে গিয়ে নিজেকে অন্যর
চেয়ে সুন্দর ভাবে।
--
প্রত্যেক ছেলেই চায়,
কেউ একজন তার
টেইক-কেয়ার করুক,কেউ
একজন তার জন্য
অপেক্ষা করুক, কেউ একজন
রাস্তা পার হওয়ার সময়
তাকে বলুক এই
সাবধানে যেও।
হতে পারে সে তার
ভাল বন্ধু বা প্রেমিকা।
-- প্রত্যেক মেয়েই চায়,
কেউ একজন তার
সাথে দুষ্টুমি করুক, কেউ
একজন
তাকে পাগলি বলুক, কেউ
তার জন্য নিজের সময় নষ্ট করুক,
কেউ একজন
তাকে অনেক ভালবাসুক,
হতে পারে সে ও
তার ভাল বন্ধু
বা প্রেমিক।
-- যাদের
প্রেমিক- প্রেমিকা আছে
তারা ভাবে যে এর
চেয়েও ভাল কাউকে তার
ডিজার্ব
করে। দুঃখের বিষয় কেউ
তাদের নিজের
অবস্থান থেকে সুখী ফীল করে না।
-- প্রত্যেক
মেয়েই তার কোন সম্পর্ক
হলে সেটা গোপন
রাখতে ভালবাসে।
ছেলেরা তার
পুরোপুরি বিপরীত।

মৃত্যু ও আলেকজান্ডার

মৃত্যু শয্যায় মহাবীর আলেকজান্ডার তার সেনাপতিদের ডেকে বলেছিলেন,'আমার মৃত্যুর পর আমার তিনটা ইচ্ছা তোমরা পূরণ করবে। আমার প্রথম অভিপ্রায় হচ্ছে,শুধু আমার চিকিৎসকরাই আমার কফিন বহন করবেন। আমার ২য় অভিপ্রায় হচ্ছে, আমার কফিন যে পথ দিয়ে গোরস্থানে যাবে সেই পথে আমার অর্জিত সোনা ও রুপা ছড়িয়ে থাকবে আর শেষ অভিপ্রায় হচ্ছে, কফিন বহনের সময় আমার দুইহাত কফিনের বাইরে ঝুলিয়ে থাকবে।'
তার সেনাপতি তখন তাঁকে এই বিচিত্র অভিপ্রায় কেন করছেন প্রশ্ন করলেন। দীর্ঘ শ্বাস গ্রহণ করে আলেকজান্ডার বললেন, 'আমি দুনিয়ার সামনে তিনটি শিক্ষা রেখে যেতে চাই।

• আমার চিকিত্সকদের কফিন বহন করতে এই কারনে বলেছি যে যাতে লোকে অনুধাবন করতে পারে যে চিকিত্সকেরা কোন মানুষকে সারিয়ে তুলতে পারে না।তারা ক্ষমতাহীন আর মৃত্যুর থাবা থেকে রক্ষা করতে অক্ষম।'

• 'গোরস্হানের পথে সোনা- দানা ছড়িয়ে রাখতে বলেছি মানুষকে এটা বো সোনা-দানার একটা কণাও আমার সঙ্গে যাবে না। এগুলো পাওয়ার জন্য সারাটা জীবন ব্যয় করেছি কিন্তু নিজের সঙ্গে কিছুই নিয়ে যেতে পারছি না। মানুষ বুঝুক এসবের পেছনে ছোটা সময়ের অপচয়।'

• 'কফিনের বাইরে আমার হাত ছড়িয়ে রাখতে বলেছি মানুষকে এটা জানাতে পৃথিবীতে এসেছিলাম,আবার খালি হাতেই পৃথিবী থেকে চলে যাচ্ছি. . . . .l